ইমারজেন্সি ব্যালেন্স জিপি

ইমারজেন্সি ব্যালেন্স জিপি

জিপিতে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স কিভাবে নিবেন?

জিপি গ্রাহকরা ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার জন্য *121*1*3# কোড ডায়াল করুন।

কিভাবে জানবেন আপনার জন্য ইমারজেন্সি ব্যালেন্সের বরাদ্দকৃত পরিমাণ?

আপনার জন্য বরাদ্দকৃত ইমারজেন্সি ব্যালেন্স জানার জন্য *121*1010*2# কোড ডায়াল করুন।

ইমারজেন্সি ব্যালেন্স এর সুবিধা এবং অসুবিধা

  • জিপি গ্রাহকরা ইমারজেন্সি ব্যালেন্স যেকোনো ভয়েস কল অথবা যে কোন এসএমএস এর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
  • আপনার আগে থেকে যদি কোনো ধরনের মিনিট বান্ডেল অন্যান্য ফ্রি বোনাস থেকে থাকে তাহলে ওই প্যাকেজগুলো ইমারজেন্সি ব্যালেন্সের আগে প্রাধান্য পাবে।

অর্থাৎ আগে আপনার বোনাস প্যাকেজগুলো ব্যবহার হবে তারপর বোনাস প্যাকেজের ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স থেকে পরিমাণ কাটবে।

  • আপনার জন্য কত পরিমান ইমারজেন্সি ব্যালেন্স বরাদ্দ রয়েছে তা আপনার ইউজেসের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে।
  • ইমারজেন্সি ব্যালেন্স এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের রোমিং ইউজেস প্রযোজ্য নয়।
  • ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার পর পরবর্তী রিচার্জ এ আপনার যে একটুকু ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স খরচ করেছেন ওইটুকুই কেটে নেয়া হবে রিচার্জ থেকে। যদি আপনি কখনো ইমারজেন্সি ব্যালেন্সের পরিমাণ এর কম পরিমাণ রিচার্জ করেন তাহলে আংশিক এমাউন্ট রিচার্জ থেকে কেটে নেয়া হবে এবং অবশিষ্ট অ্যামাউন্ট পরবর্তী রিচার্জে কাটা হবে।
  • আপনি ইমারজেন্সি ব্যালেন্স যেকোনো সময়ে ব্যবহার করতে পারবেন।
  • নতুন করে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার জন্য আগের অ্যামাউন্ট পরিশোধ করতে হবে।

কিভাবে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স অ্যামাউন্ট চেক করবেন?

ইমারজেন্সি ব্যালেন্স একাউন্ট চেক করার জন্য *121*1*3# কোডটি ডায়াল করতে হবে।

ইমারজেন্সি ব্যালেন্সের হঠাৎ প্রয়োজন আসলে বলে বোঝানো যাবে না। আপনি এমন কোন জায়গায় যখন ইমারজেন্সি ব্যালেন্স এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন তখন ঠিকই এর উপকারিতা টের পাবেন।

প্রত্যেকটি মোবাইল অপারেটর ইমারজেন্সি ব্যালেন্স সুবিধা দিয়ে থাকেন ব্যবহারকারীদের। ইমারজেন্সি ব্যালেন্স সর্বনিম্ন 10 টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 200 টাকা পর্যন্ত গ্রাহক পেতে পারেন। সর্বোচ্চ ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নির্ভর করে আপনার ইমারজেন্সি ব্যালেন্স ব্যবহারের উপর।

আপনি যত পরিমাণে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স ব্যবহার করবেন এবং যত পরিমাণ আপনার মূল অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স রিচার্জ করবেন এবং সেগুলো ব্যবহার করতে থাকবেন ঠিক সে অনুযায়ী আপনাকে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স দেয়া হবে।

ধরুন আপনি মাসের সর্বোচ্চ 100 টাকা থেকে 500 টাকা পর্যন্ত খরচ করেন। এক্ষেত্রে আপনি সর্বনিম্ন 10 টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 50 হাজার টাকা পর্যন্ত এবারে যে ব্যালেন্স এর সুবিধা পেয়ে যাবে পেয়ে যাবেন। যদি এর থেকেও বেশি পরিমাণে মাসিক ব্যবহারকারী হন তাহলে আরো বেশি পরিমাণে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স এর সুবিধা পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *