ঠান্ডা আবহাওয়া আমাদের শরীরের কি কি ক্ষতি করে

ঠান্ডা আবহাওয়া মানুষের যে যে ক্ষতি করে। শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় আমাদের ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু, ব্রংকিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, ত্বকে চুলকানি, শুষ্ক ত্বক, জয়েন্ট ব্যথা, কানে তীব্র সংক্রমণ, গলা ব্যথা ইত্যাদি ক্ষতি হয় সাধারনত।

ঠান্ডা আবহাওয়া শব্দটি মাথায় আসার সাথে সাথে আমাদের শীতকালের কথা মনে পড়ে। ঠান্ডা আবহাওয়া বা প্রচন্ড শীত আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তার মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে ঠান্ডা। এছাড়াও আরো যেসকল রোগ বা সমস্যা হয় সেগুলো হলো ইনফ্লুয়েঞ্জা, ব্রংকিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, ত্বকে চুলকানি, শুষ্ক ত্বক, জয়েন্ট ব্যথা, কানে তীব্র সংক্রমণ ইত্যাদি।

সাধারণত গৃষ্মকালে গরম আবহাওয়া এবং শীতকালে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকে আমাদের দেশে। শীতকালে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার মতো পরিবেশ পায় বলে শীতের সময় বিভিন্ন রোগ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। শীতের সময় বা ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আমাদের শরীরের যে সকল ক্ষতি হয় তা নিয়ে আমরা এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

সাধারণ ঠান্ডা

ঠান্ডা একটি বিরক্তিকর সমস্যা বা রোগ। ঠান্ডা গরমকাল বা শীতকাল যেকোনো সময় লাগতে পারে কিন্তু শীতকালে এটি অনেক বেশি এবং ঘনঘন দেখা দেয়। সাধারণত শীতকালে ঠান্ডা জনিত সমস্যায় সবাই কমবেশি ভুগে থাকে। আর এই সমস্যা হয় মূলত বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ঠান্ডার ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায়।

ঠান্ডার সমস্যার সাথে জড়িত ভাইরাসগুলো মূলত আমাদের শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন বস্তু স্পর্শ করার মাধ্যমে। এই যেমন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হচ্ছে মোবাইল ফোন। দিনের ২৪ ঘন্টার বেশিরভাগ সময় মোবাইল আমাদের হাতে থাকে।

আর হাত আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে, তখন সহজে ভাইরাসগুলো আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আমরা তো বারবার হাত ধুয়ে বা মোবাইল পরিষ্কার করে শরীর স্পর্শ করি না। একইভাবে মোবাইলের মতো আরো কত বস্তু দৈনিক স্পর্শ করে থাকি।

নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে থাকা, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, কখনো কোনো হালকা জ্বর ইত্যাদি হচ্ছে ঠান্ডার সমস্যা উপসর্গ। আর ঠান্ডার সমস্যা কারো কারো দুই-তিনদিন থাকে আবার কারো দু-তিন সপ্তাহ থেকে যায়। আপনি হয়তো ঠান্ডা লাগলে আপনার দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কাজগুলো করতে পারবেন কিন্তু নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা নাক দিয়ে পানি পড়া খুব বিরক্তিকর ব্যাপার।

ঠান্ডা হওয়ার সাথে সাথে ওষুধের দোকান থেকে ঠান্ডার ট্যাবলেট খেয়ে নিলে হয়তো দু’এক দিনের মধ্যেই ঠান্ডা চলে যাবে। আর যদি কাজে না দেয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করলে ইনশাল্লাহ ঠান্ডা চলে যাবে। আর প্রাথমিকভাবে আপনি ঠান্ডার সময় টিস্যু ব্যবহার ব্যবহার করবেন।

ঠান্ডার সমস্যায় হচ্ছে এরকম কোন মানুষের সংস্পর্শে যাবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি ঠান্ডার সমস্যায় ভুগছেন তাই নিজ থেকে মানুষের সাথে মেলামেশা করার সময় সর্তকতা অবলম্বন করুন তাহলে আপনার মাধ্যমে অন্য কারো ঠান্ডার সমস্যা হবে না তাছাড়া আপনিও ভালো থাকবেন।

ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু

শীতকালে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়। বায়ুর মাধ্যমে ফ্লু রোগ হয়ে থাকে। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এ রোগ ছড়ায়। এই ভাইরাসজনিত রোগে আমাদের দেশের প্রায় ৫-১৫ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়। শুধু যে আমাদের দেশের মানুষ প্রতিবছর এই সমস্যায় পড়ে তা নয় বিশ্বের প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ মারা যায় প্রতিবছর এই রোগে।

শুরুটা সাধারণ ঠান্ডা দিয়ে হলেও আস্তে আস্তে খুব বেশি জ্বর, কাশি, মাথা ব্যাথা, গলা ব্যথা, শরীর ব্যথা, বমি, ডাইরিয়া এবং ক্লান্তি অনুভব হয়ে থাকে। আর এগুলো মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু প্রাথমিক লক্ষণ বা উপসর্গ। ফ্লু সমস্যা থেকে নিউমোনিয়া হয়ে থাকে। এর জন্য আপনি ভ্যাকসিন নিতে পারেন। অধিকাংশ সময় এ সমস্যা সপ্তাহখানেকের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

কিন্তু যদি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু সমস্যা জটিল রূপ ধারন করে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। যেকোনো রোগের যদি আপনি শুরুতেই চিকিৎসা নেন তাহলে তা আপনার শরীরের বেশি ক্ষতি করতে পারবেন না এবং আপনার রোগ খুব দ্রুত সেরে যাবে।

ব্রংকিওলাইটিস

এই ভাইরাস জনিত রোগটি শীতকালে সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ থেকে শিশুদের এ সমস্যা বেশি হয়ে থাকে আর বড়দের কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ফুসফুসের মধ্যে ছোট নালী রয়েছে যার নাম ব্রংকিওল আর এই নারীদের যদি ভাইরাসের কারণে প্রদাহ হয় তাহলে সেটাই ব্রংকিওলাইটিস। হালকা জ্বর, কাশী, নাক বন্ধ হওয়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো ব্রংকিওলাইটিস রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। এই সমস্যা যাতে আমাদের পড়তে না হয় তা আমাদের সতর্কতার সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে জীবন যাপন করতে হবে।

সাইনোসাইটিস

শীতকালে আমাদের ঘরের যেন বাতাস প্রবেশ করতে না পারে তাই আমরা দরজা জানালা বন্ধ রাখি। এর ফলে আমাদের রুমে সঠিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে না। মূলত এই সমস্যার কারণেই সাইনোসাইটিস সমস্যা দেখা দেয়। আর শীতকালে এটি খুবই সাধারন ব্যাপার। এই সমস্যা মানুষকে দুর্বিষহ করে তোলে।

কারণ নাক বন্ধ হয়ে থাকা, মাথা ব্যাথা করা, কাশি হওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি বিষয়গুলো সবার জন্য বিরক্তিকর এবং কষ্টকর। এ সমস্যায় যেন পড়তে না হয় তার জন্য প্রাথমিকভাবে আপনি যা করতে পারেন তা হলো স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, প্রচুর পানি পান করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেওয়া এবং শীতে দিনের কিছুটা সময়ের জন্য হলেও দরজা-জানালা খোলা রাখা।

ত্বকে চুলকানি

চুলকানি অসহ্যকর এবং বিরক্তিকর একটি রোগ। যখন চুলকানি শুরু হয় তখন শুধু চুলকাতে মন চায় কিন্তু পরবর্তীতে সেই জায়গায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। শীতকালে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে তাই ঠান্ডা তাপমাত্রা শুষ্ক চুলকানি তৈরি করে। যাদের ত্বক সংবেদনশীল তাদের এ সমস্যায় বেশি ভুগতে হয়। বর্তমানে বাজারে ত্বকে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন বডি লোশন, তেল পাওয়া যায় এগুলো ব্যবহার করলে ইনশাল্লাহ চুলকানি সমস্যায় পড়তে হবে না।

শুষ্ক ত্বক

স্বাভাবিকভাবে শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম হওয়ায় আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হওয়ার কারণে দেখতে অস্বাভাবিক দেখায়, ত্বক চুলকায়, ঠোঁট পায়ের ভরা ফেটে যায়। শুষ্ক ত্বক দেখলে মনে হয় শরীরে মাটি লেগে আছে। কিছু টাকা খরচ করলে আপনার শুষ্ক ত্বক হয়ে যাবে সুন্দর ত্বক। বাজারে বিভিন্ন মশ্চারাইজিং লোশন, সাবান, পেট্রোলিয়াম জেলি, তেল পাওয়া যায়।

গোসল করার সময় ময়েশ্চারাইজিং সাবান ব্যবহার করলেন এবং গোসল শেষে শরীর মুছে ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করলে আপনার শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর হবে।

জয়েন্ট ব্যথা

শীতকালে অনেকের মাংসপেশিতে ব্যথা, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকে। বিশেষ করে যারা আর্থাইটিস রোগের কাদের মধ্যে চেপে চেপে সমস্যা দেখা দেয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে যখন হঠাৎ করে তাপমাত্রা অনেক কমে যাবে তখন জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনার শরীরকে শীতের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে।

তার জন্য আপনাকে সব সময় গরম কাপড় পরিধান করতে হবে, রাতে ঘুমানোর সময় ভারী কম্বল ব্যবহার করতে হবে, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে পারেন এবং গোসল (নদীতে বা পুকুরে সাঁতার কাটলে জয়েন্টের ব্যথার জন্য ভালো) করার পর রোদ পোহাতে হবে।

কানে তীব্র সংক্রমণ

ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের মাধ্যমে কানের মধ্যে তরল পদার্থ জমা হয়। যা পরবর্তীতে পুঁজ হয়ে কানের ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসে। অনেক বেশি ঠান্ডা, অতিরিক্ত ধূমপান, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন কানের সংক্রমণের জন্য দায়ী। এই সমস্যা হলে আপনার কান ব্যাথা করবে, কোন অস্বস্থি অনুভব করবেন, শ্রবণশক্তি হ্রাস পাবে অর্থাৎ শোনার ক্ষমতা কমে যাবে।

প্রাথমিকভাবে সমস্যা সমাধানের জন্য আপনি গোসল করার পর কান ভালোভাবে শুকিয়ে নিবেন, ধূমপানের মতো বদ অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে টিকা দিতে পারেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যদি কানের সৃষ্ট সমস্যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

গলা ব্যথা

বছরের যেকোনো সময় গলা ব্যাথা সমস্যা দেখা দিতে পারে কিন্তু শীতকালে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। আর শীতকালে গলাব্যথা হয়ে থাকে সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের কারণে। শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে, তাই অনেক বেশি ঠান্ডা অনুভব হয়। আর শীতকালে ঘরের তুলনায় বাইরে বেশি ঠান্ডা অনুভব হয়।

আর এই ঠান্ডা গলা ব্যথার কারণ হতে পারে। শীতকালে ভুলেও ফ্রিজের পানি বা আইসক্রিম খাওয়া যাবে না। মোটকথা ঠান্ডা জনিত সমস্যার কারণে গলা ব্যথা হয়ে থাকে। আপনার গলা ব্যাথা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লবণ দিয়ে গরগরা করতে পারেন। এরকমটা করলে হয়তো গলাব্যথা পুরোপুরি ভালো হবেনা কিন্তু আপনার গলা ব্যথা কমিয়ে দিবে।

শীতের ঠান্ডা থেকে মুক্তির উপায়

শীতে শরীর গরম করার উপায়ের কথা মনে পড়লে প্রথমে আসবে পোশাকের ব্যাপার। শীতের ঠান্ডা থেকে নিজেকে উষ্ণ রাখতে ভারী পোশাক পরতে হবে। সেইসাথে হাত মোজা, পা মোজা, কানটুপি ইত্যাদি পরিধান করলে আপনার শরীর থাকবে সবসময় গরম।

শীতের সময় আমাদের একটা বদ অভ্যাস আছে আমরা গোসল করতে চাই না। আপনি যদি শীতকালে নিয়মিত গোসল করেন দেখবেন আপনার তুলনামূলক শীত কম লাগছে। গোসল করার পর হাতে পায়ে সরিষার তেল মাখবেন তাহলে গরম অনুভুতি মিলবে শরীরে।

শীতকালে প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য শারীরিক ব্যায়াম করতে পারেন। এতে আপনি যেমন থাকবেন সুস্থ সবল তেমনি আপনার শরীর থাকবে গরম। শীতের ঠাণ্ডা আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। কারণ ব্যায়াম করার ফলে পুরো শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে।

শীতকালে আমরা পানি কম খাওয়ার চেষ্টা করি কারন আমরা মনে করি যে পানি বেশি পান করলে শীত বেশি লাগবে। তাছাড়া শীতকালে পানি খাওয়ার পর অতিরিক্ত প্রস্রাব হয়। আর ঠান্ডার মধ্যে গরম বিছানা ছেড়ে উঠে বারবার প্রস্রাব করার বিরক্ত থেকে রক্ষা পেতে পানি কম পান করে থাকি আমরা।

শীতকালে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকে বলে পানির তৃষ্ণা পায় কম। যার ফলে আমাদের শরীরে যতটুকু পানি পান করার দরকার তা আমরা পান করি না। কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে যে সমস্যা হোক না কেন আপনাকে শীতকালে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।

শীতকালে প্রতিদিন এক চামচ মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন কারন মধু আপনার সর্দি কাশি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা সর্দি কাশি নিরাময় কাজে দিবে। লাল চা বা রঙ চা খেতে পারেন নিয়মিত। চায়ের মধ্যে অবশ্যই আদা কুচি, লবঙ্গ দিতে হবে সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারলে আরও বেশি ভালো।

শীত থেকে বাঁচার দোয়া

শীতকালে দিনের তুলনায় রাতের দৈর্ঘ্য অনেক বেশি হয়ে থাকে। যার ফলে আপনি শীতেরকালে গভীর রাতে আল্লাহর ইবাদত করার জন্য বেশি সময় পাবেন। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন “শীতকাল হচ্ছে মুমিনদের জন্য বসন্তকাল”।

শীতের রাতে বেশি বেশি নফল ইবাদত এবং তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে পারবেন। এরকম যখন আপনি শীতের ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযু করবেন এবং প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে গভীর রাতে আল্লাহর ইবাদত করবেন তখন আল্লাহ তা’আলা আরো বেশি খুশি হবেন এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে।

শীত থেকে বাঁচার জন্য নির্দিষ্ট কোন দোয়া নেই তবে দুঃখ কষ্ট থেকে বা বিপদ থেকে বাঁচার জন্য এবার রয়েছে। আর শীতের ঠান্ডা তো কষ্টের ব্যাপার আর এই কষ্টদায়ক ঠান্ডা থেকে মুক্তির জন্য ছবিতে দেখানো দোয়াগুলো পড়তে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনি এই দোয়ার উসিলায় ভালো থাকবেন।

সূরা আল আম্বিয়া ৮৭
তিরমিজি, মিশকাত হাদিস ২৪৫৪
Share your love
Salim Sikder
Salim Sikder

বিডিপপুলার তরুন প্রজন্মের বিশ্বস্ত একটি নাম। বিডিপপুলারে আমরা চেষ্টা করি যেনো ভালো কিছু আপনি পান। বিডিপপুলারের সাথেই থাকুন।

Articles: 10