অনেক টাকা থাকা সত্ত্বেও কোন কাজের জন্য বরকত চলে যায়

আমাদের সমাজে ধনী গরিব সকল ধরনের মানুষ বসবাস করে। সব শ্রেণীর মানুষ এই জীবনে সুখী থাকতে চায়। কেউ অনেক টাকার মালিক হয়েও দুঃখী আবার কেউ কম টাকার মালিক হয়েও সুখী। কিন্তু আল্লাহর দুনিয়ায় সুখী হতে হলে আপনাকে আল্লাহর বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে।

আপনার আয় রোজগারের উপর আল্লাহর রহমত ও বরকত থাকতে হবে। তাহলে আপনার ঘরে বরকত থাকবে অর্থাৎ অল্পতেও আপনি সুখে থাকবেন। তবে এমন তিনটি কাজ আছে যেগুলো করলে ঘর থেকে বরকত চলে যায়। সেগুলো হলো মিথ্যা কথা বলা, রিজিকের সাথে বেয়াদবি করা, সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা।

দেখবেন এমন অনেক ফ্যামিলি আছে যেখানে অনেক টাকা আয় করা সত্ত্বেও অভাব লেগেই আছে। কয়দিন পরপর অসুস্থতা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি তাদের ঘর থেকে যাচ্ছে না। তারা অনেক টাকা উপার্জন করা সত্ত্বেও, বিভিন্ন সমস্যার কারণে ভালো থাকতে পারছে না এবং অভাব অনটন লেগেই থাকে।

এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো যে কোন তিনটি কাজের জন্য ঘর থেকে বরকত চলে যায়। তবে এটা জানার আগে চলুন আগে জেনে নেই বরকত কাকে বলে। 

বরকত কি?

বরকত হচ্ছে একটি আরবি শব্দ। স্থান কাল পাত্র ভেদে এই শব্দের অর্থ বিভিন্ন হয়ে থাকে। তবে প্রতিটি অর্থই কল্যাণের বা মঙ্গলের। যে সকল জিনিসের উপর মহান আল্লাহ তাআলার কল্যাণ নিহিত থাকে তাকে বরকত বলা হয়। বরকত বাভিন্ন জিনিসের উপর আল্লাহ দিয়ে থাকেন। আপনাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের মধ্য দিয়ে বরকত আদায় করতে হবে।

প্রিয় ভাই বোনেরা আমরা জানিনা কি কারণে ঘরের বরকত চলে যায় তাই আমরা সেসব কাজ করে বসি আর তার ফলে আমাদের ঘরে বরকত থাকেনা। তাই আমি আপনাদেরকে এমন তিনটি কাজের বিষয়ে বলবো যে কাজের ফলে আমাদের ঘর সমূহের বরকত দূরে হয়ে যায় আর ফেরত আসেনা। সেসব কাজ গুলো হলোঃ

মিথ্যা বা বানোয়াট কথা বলা

বর্তমান সমাজে সবাই কমবেশি মিথ্যা কথা বলে। মিথ্যা বলা যে একটি পাপ বা গুনাহ এর কাজ অনেকে সেটা ভুলেই গেছে। সাধারণত একটি মিথ্যা কথা বললে সেটি ডাকার জন্য আরও কয়েকটি মিথ্যা কথা বলা লাগে। মোবাইল ফোন আবিষ্কারের পর মানুষ আরো বেশি মিথ্যা কথা বলা শুরু করেছে।

ভাবটা এমন যেন মোবাইলে মিথ্যা বললে সেটা মিথ্যা কথা না। অনেকে তো আছে মজার ছলে মিথ্যা বানোয়াট কথাবাত্রা বলে বেড়ায়। অর্থাৎ কৌতুক বা মজার ছলে কাউকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলাও জায়েজ নেই। কিন্তু আপনারা কি জানেন মিথ্যা বলার কারনে ঘরের বরকত আল্লাহ তায়ালা উঠিয়ে নেয়। সকল পাপের শুরুটা হয় মিথ্যা বলা দিয়ে। আরে মিথ্যা বলার কারনে ঘর থেকে বরকত চলে যায়।

একবার এক সাহাবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কাছে বললেন আমি অনেক অনেক গুনা করি এবং আমি সকল গুনাহ ছাড়তে চাই কিন্তু পারিনা। তখন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ওই সাহাবীকে উপদেশ দিলেন- তুমি শুধু মিথ্যা কথা বলা ছেড়ে দাও দেখবে ধীরে ধীরে তোমার সব অপরাধ বা গুন বিদায় নিতে শুরু করেছে।

আরেক হাদিসে হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (সাঃ) বলেন- তোমরা মিথ্যা বলা থেকে নিজেদের দূরে রাখ। নিঃসন্দেহে মিথ্যা ঈমানকে ধ্বংস বা ক্ষতি করে। একজন মিথ্যাবাদী কোনোদিন আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারবে না। দুনিয়াতে মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না। মিথ্যাবাদীর জীবনে সবসময় বিপদে-আপদ লেগেই থাকে।

মিথ্যা সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) বলেন- সেই ব্যক্তির ধ্বংস সুনিশ্চিত যে মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলে থাকে। তার জন্য শুধু ধ্বংস আর ধ্বংস। তাছাড়া পবিত্র কোরআনে সূরা জারিয়াতের ১০ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন মিথ্যাচারীরা ধ্বংস হোক।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন মিথ্যা বলা কতটা জঘন্য ও ঘৃণিত একটি পাপ কাজ। আল্লাহ এবং নবী (সাঃ) যে জায়গায় বলেছেন মিথ্যাবাদী ধ্বংস হোক সে জায়গায় আপনি কি করে মিথ্যা বলে ভালো থাকতে পারবেন। মিথ্যা বললে যে শুধু ঘর থেকে বরকত চলে যায় এরকম নয় আপনি আপনার জীবনে আরও বিভিন্ন সমস্যায় পড়বেন মিথ্যা বলার কারনে।

আমরা যারা মিথ্যা কথা বলি তারা চেষ্টা করব মিথ্যা কথা সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দেওয়ার। শুরুতে হয়তো আপনি পুরোপুরি ছাড়তে পারবেন না তবে আপনাকে চেষ্টা করে যেতে হবে মিথ্যা কথা না বলার। রাতে ঘুমানোর সময় একবার চিন্তা করে ভাবুন আপনি দিনে কতটা মিথ্যা কথা বলেছেন আর সেই কথার কারণে কত ক্ষতি হয়েছে আপনার এবং অন্য মানুষের।

মিথ্যা কথা বলা ছেড়ে দিলে ইনশাআল্লাহ আপনার জীবন পরিবর্তন হয়ে যাবে। অনেক পাপ কাছ থেকে আপনি মুক্ত হয়ে যাবেন। এবং আল্লাহর রহমতে এবং বরকত আপনার উপর বর্ষিত হবে।

রিজিকের সাথে বেয়াদবি এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করলে

রিজিকের সাথে বেয়াদবি এটা আবার কেমন কথা! রিজিকের সাথে আবার বেয়াদবি করে কিভাবে? মূলত নিজেকে সাথে বেয়াদবি বলতে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত অপচয় এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করাকে বোঝানো হয়েছে। একবার চিন্তা করে দেখুন তো আমরা দিনে কত কিছু অপচয় করছি।

এই যেমন একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি বাঁচানোর জন্য অনেকে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রেখে গ্যাস অপচয় করছে, রুমে আলো বাতাস থাকা সত্বেও ফ্যান লাইট জ্বালিয়ে, এসির সাথে ফ্যান জালিয়ে, প্রয়োজন ছাড়া অনর্থক আমরা প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ অপচয় করছি, তাছাড়া খাবার খাওয়ার সময় তো কত খাবার নষ্ট করছি জীবনে তার কোন হিসাব নেই। তাছাড়া পোশাক-আশাক থাকা সত্ত্বেও আরো পোশাক আশাক কিনা এটাও এক ধরনের অপচয়।

মহান আল্লাহতালা পবিত্র কুরআনের সূরা বনী ইসরাঈলের ২৬ ও ২৭ নাম্বার আয়াতে বলেন- যারা অপব্যয় বা অপচয় করে তারা শয়তানের ভাই এবং আর শয়তান তার সৃষ্টিকর্তার প্রতি সবসময় অকৃতজ্ঞ।

তাছাড়া আল্লাহ তাআলা সূরা ফুরকানের ৬৭ নম্বর আয়াতে বলেছেন- তোমরা অকারনে ব্যয় করোনা, কৃপণতা করো না বরং তোমরা এই দুই জিনিসের মধ্যবর্তী পন্থা অবলম্বন করো।

আপনি একটু আপনার আশে পাশে তাকিয়ে দেখুন আপনি যেগুলো অপচয় করছেন অনেক মানুষ সেগুলো পাচ্ছে না। আপনি যেই খাবার নষ্ট করছেন অনেকে তিন বেলা সেই খাবার খেতেই পায় না। আপনি প্রতিমাসে একটি করে ড্রেস কিনছেন অনেকে একটি ড্রেস দিয়েই সারা বছর কাটিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং কোন কিছু অপচয় করা আল্লাহর দেওয়া রিজিকের সাথে বেয়াদবি ছাড়া আর কি?

আবার আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ আছে তারা কোনো কিছুতেই সুখী না, তাদের আরো চাই? আরো চাই? এই মনোভাব। অথচ আপনি খেয়াল করে দেখুন আপনার যা আছে তাও অনেকের নেই। আপনার যদি বাইক থাকে তাহলে আপনি প্রাইভেটকার গাড়ির দিকে তাকিয়ে আফছোস না করে সাইকেলের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন।

সব সময় আপনার থেকে যাদের বেশি আছে তাদের সাথে নিজেদের তুলনা না করে, আপনার থেকে যাদের কম আছে তাদের সাথে নিজেদের তুলনা করুন। সবকিছুতেই আলহামদুলিল্লাহ বলতে শিখুন। দেখবেন আপনার অন্তরে অনেক শান্তি এবং প্রশান্তি পাবেন।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার রান্না করে সেগুলো পচিয়ে বা বাসি করে ফেলে দেওয়া, প্রয়োজন ছাড়া জামা কাপড় কিনে ফেলে দেওয়া ইত্যাদি অপচয় করা ভয়াবহ রকমের খারাপ অভ্যাস। আর এ ধরনের  বদ অভ্যাস এবং অপচয় করার কু-অভ্যাসের কারণে ঘর থেকে বরকত উঠে যায়।

দেখবেন একটা সময় আপনি যেগুলো অপচয় করেছিলেন সেগুলো খেতেও পাচ্ছেন না। দেখবেন আপনার ব্যবসায় লস হচ্ছে অথবা আপনার চাকরি চলে যাচ্ছে, আপনার পরিবারে দুর্ঘটনা-অসুখ হচ্ছে ইত্যাদির কারণে আপনার জীবন থেকে অভাব যাচ্ছে না।

এর কারণ হচ্ছে ওই যে একটা সময় আপনি অপচয় করেছেন তার জন্য এখন এই দুরবস্থা। সুতরাং রিজিকের সাথে বেয়াদবি করলে অনেক টাকা সত্বেও আপনার ঘর থেকে বরকত চলে যাবে। অর্থাৎ অনেক টাকা সত্বেও আপনি সুখী হতে পারবেন না।

সকালে দেরিতে ঘুম থেকে উঠলে

বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে সকালে ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা। রাত ২টা বা ৩টা পর্যন্ত মোবাইল টিপে কেউ কেউ তো ভোররাত পর্যন্ত মোবাইল টিপে পড়ে সকাল ১০টা কি ১২টা বাজে তাদের ঘুম ভাঙ্গে। সকালের নাস্তা করে তারা দুপুরে।

ফজর নামাজ পড়ার কোনো নাম নেই। দুনিয়ার আরাম-আয়েশের ঘুমের জন্য তারা আল্লাহর ফরজ বিধান পালন করে না। আর এ কারণে তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছে।

সকালে ঘুম থেকে দেরিতে উঠলে অনেক টাকার মালিক হলেও আপনার ঘর থেকে বরকত উঠে যাবে। তাছাড়া সকালবেলা ঘুমালে শরীর সুস্থ থাকে না। আপনার প্রতিদিনের সকল কাজকর্ম করার পাশাপাশি আল্লাহর দেওয়া বিধান নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত ইত্যাদি সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

গভীর রাতে তাহাজ্জত নামাজ এবং নফল ইবাদত করার পর ফজর নামাজ পড়ে যখন আপনি দিন শুরু করবেন তখন সারাদিন আপনার জিম্মাদার হয়ে যাবেন আল্লাহ তায়ালা। তখন সবকিছুতেই আল্লাহ তা’আলা বরকত দান করবেন।

আপনি যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন, সৎ পথে চলবেন তখন আল্লাহর রহমতে অল্প টাকাতেই আপনি সুখী থাকতে পারবেন। কিন্তু যখন আপনি আল্লাহর নাফরমানি করবেন অর্থাৎ আল্লাহর বিধি-বিধান মেনে চলবেন না, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে না তখন আপনি অনেক অনেক টাকা আয় করলেও জীবনে সুখী হতে পারবেন না। সকালে ঘুম থেকে দেরিতে উঠলে যেমন ঘর থেকে বরকত চলে যায় সেইসাথে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়। 

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে, ভোরবেলা ফজর নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে তাহলে আপনার ঘরে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। তা না হলে অনেক টাকার মালিক হওয়া সত্বেও আপনার ঘর থেকে বরকত চলে যাবে। আপনি খাওয়া দাওয়া করে, ঘুমিয়ে, স্ত্রী সন্তান দিয়ে, মোট কথা কেনো কিছু দিয়েই শান্তি পাবেন না যদি আল্লাহর নেয়ামত ভোগ করে শুকরিয়া আদায় না করেন এবং আল্লাহর ফরজ বিধানগুলো পালন না করেন।

আপনি যদি আপনার ব্যবসা-বাণিজ্যে বা চাকরিতে উন্নতি করতে চান তাহলে আপনাকে সকাল সকাল উঠে ফজর নামাজ আদায় করে কাজ শুরু করতে হবে। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- সকালবেলা রিজিকের খোঁজ করো!

কারণ সকালবেলা বরকতপূর্ণ সময় এবং সফলতা অর্জনের জন্য উপযুক্ত সময়। আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করুন এখন থেকে রাতে এশার নামাজ পড়ার পর পর ঘুমানোর চেষ্টা করবেন এবং ভোরবেলা ফজর নামাজ পড়ে সারাদিনের কাজ শুরু করবেন। ইনশাআল্লাহ আপনি অল্প টাকাতে জীবনে সুখী হতে পারবেন।

যে ১০টি কারণে জীবনে সুখী হওয়া যায় না

  • যে ব্যক্তি সর্বদা গুনাহের কাজ করে তার উপরে আল্লাহর গজব নাযিল হয়। তাছাড়া তার রিজিকে বরকত চলে যায় এবং সে জীবনে উন্নতি করতে পারে না।
  • যারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে এবং ধোঁকা দেয় তারা জীবনে উন্নতি করতে পারে না। তাদের সম্পদ থেকে আল্লাহ বরকত উঠিয়ে নেয় এবং তারা দুনিয়াতে সুখী হতে পারে না।
  • কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অকারনে কসম খায়। আবার অনেকে আছে মিথ্যা কসম খায়। যারা এ ধরনের কাজ করে তাদের সম্পদ থেকে বরকত চলে যায়।
  • যে সকল মানুষ সুদ আদান-প্রদান করে তাদের জীবিকার বরকত চলে যায়। তাদের জন্য রয়েছে মৃত্যুর পর কঠিন শাস্তি। দুনিয়াতে সাময়িক সময়ের জন্য তারা টাকার মালিক হলেও প্রকৃতপক্ষে তারা কোনদিন সুখী হতে পারে না।
  • এই পৃথিবীতে আমরা প্রতি মুহূর্তে আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য নিয়ামত ভোগ করছি। কিন্তু যারা নেয়ামত ভোগ করে শুকরিয়া আদায় করে না তাদের উপর থেকে বরকত এবং কল্যাণ চলে যায়।
  • কৃপণ লোকদের আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন না। যারা কৃপণ তাদের সম্পদ থাকা সত্বেও দুনিয়ায় ভালো থাকতে পারে না। কৃপণদের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক রাখা উচিত না।
  • যাকাত ফরজ হওয়া সত্ত্বেও যারা যাকাত আদায় করে না তাদের উপর দুনিয়া এবং আখেরাতে আজাব এবং গজব আপতিত হয়। যাকাত দিলে সম্পদ কমে না বরং সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
  • আল্লাহতায়ালা প্রতিটি মানুষকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দুনিয়াতে পাঠিয়ে থাকেন। সব সময় প্রাপ্ত রিজিক এবং তাকদীরের উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে তাহলে আপনার সম্পদের উপর বরকত হবে।
  • অকারনে এবং অপ্রয়োজনে যেকোনো সম্পদ অপচয় ও অপব্যবহার করা একটি নিন্দনীয় স্বভাব। আর এই কারণেও সম্পদের উপর থেকে বরকত চলে যায়।
  • ক্ষমতার জোরে বা অর্থের প্রভাবে অন্যায় ভাবে সম্পদ অর্জন করলে জীবনে সুখী হওয়া যায় না। আর এমন ব্যক্তির সম্পদ অর্জন করলে সেখানে বরকত থাকে না। সে ব্যক্তি কোন কিছু দিয়েই সুখী হতে পারে না।
Share your love
Hemal Hasan
Hemal Hasan
Articles: 28