ইন্টারনেট সেবায় লোডশেডিং প্রভাব

একটা সময় ছিলো যখন আমরা লোডশেডিং রচনা পড়তাম, তখন সেখানে লোডশেডিং হলে আমাদের কি কি সমস্যা মোকাবেলা করতে হয় তা নিয়ে লিখলিখি করতাম।

বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক যায়গায় লোড শেডিং এর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি কিছুটা হলেও কমানোর জন্য গত ১৮ জুলাই (রোজ সোমবার) সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের প্রতিটি জেলায় এলাকাভিত্তিক প্রতিদিন লোডশেডিং করার ঘোষনা দেন। যেখানে আলোচনা সাপেক্ষে প্রতিদিন সিডিউল অনুযায়ী ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

দেশের বেসরকারি মোবাইল সেবাদানকারী কোম্পানীগুলো জানান, তাদের ১-২ ঘন্টায় লোডশেডিং এর ফলে মোবাইল সেবা দিতে তেমন কোন সমস্যা হবে না। এর কারন মোবাইল অপারেটরগুলোর বিটিএস টাওয়ারগুলোর ব্যাকআপ থাকে ৩ থেকে ৬ ঘন্টা। রবি আজিয়াটা জানায় তাদের প্রতিটি মোবাইল টাওয়ারের ব্যাকআপ ক্ষমতা ৪ থেকে ৬ ঘন্টা এবং গ্রামীনফোনেরও ২-৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিতে সমস্যা হবে না।

আমরা জানি, ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের অন্যতম কাঁচামাল বিদ্যুৎ। সারাদেশে অসংখ্য বিটিএস টাওয়ার রয়েছে যা বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত। এমনকি আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোও বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত হয়। যার ফলে এতে খরচ হয় অনেক পরিমানের বিদ্যুৎ। তাই সকল যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিরিবিচ্ছিন্ন রাখার জন্য আগাম প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ প্রয়োজনে দ্রুত গ্রহন করতে হবে।

Related Topic:
লোডশেডিং ইন্টারনেট সেবায় বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে।
ইন্টারনেট সেবার বিরুপ প্রভাব ফেলবে লোডশেডিং।
Load shedding effect on internet service.

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?