মাইকেল জ্যাকসনের অবাক করা কিছু তথ্য

২০০৯ সালের ২৫ জুন মাইকেল জ্যাকসন মারা যায়। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব মাকেল জেকসনের জীবনের অজানা কিছু বিষয় নিয়ে। 

আপনি জানলে অবাক হবেন যে বছর মাইকেল জেকসন মারা যান সে বছর যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি তার অ্যালবাম বিক্রি হয়।

মার্বেলের সুপারহিরো স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলেন মাইকেল। নব্বই দশকে তিনি চেয়েছিলেন স্পাইডারম্যানের রিমেক সংস্করণ বানাতে।

মাইকেল জ্যাকসন এর চলে যাওয়ার দীর্ঘ ১৩ বছর পরেও তার যেকোনো স্মারক নিলামে উঠলেই এখনো মানুষের হিড়িক পড়ে যায়।

আপনারা সবাই জানেন মাইকেল জ্যাকসন দুর্দান্ত নাচতে পারতো। তার মুন ওয়াক এখনো বিশ্ব বিখ্যাত। ১৯৭৯ সালে একটি গানির নাচের অনুশীলন করতে গিয়ে তার নাক ভেঙ্গে ফেলেছিলেন। আর এর জন্য তাকে অস্ত্রোপচার করতে হয়।

১৯৯৪ সালে এলভিস প্রিসলির মেয়ে মেরি প্রিসলির সাথে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। মেরি প্রিসলি ছিলেন মাইকেলের প্রথম স্ত্রী। বিয়ের ২০ মাস পরই তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। 

আপনারা সবাই জানেন মুভি, গান সব কিছুরই টপচার্টের লিস্ট করা হয়। এখন এরকম একটি তথ্য দিব যা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি গানের টপচার্টের পাঁচটি গানই মাকেল জেকসনের ছিল। তিনি ইতিহাসের একমাত্র গায়ক  যার সব গান টপচার্টের জায়গা করে নেয়।

মাইকেল জ্যাকসনের থ্রিলার অ্যালবাম সর্বকালের সেরা বিক্রি হওয়া একটি অ্যালবাম। ৭৫০ মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয় তার এই অ্যালবাম।

গান ও নাচের মতো তিনি কারাতেতেও পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০ সালে তিনি ব্ল্যাক বেল্ট অর্জন করেছিলেন জাপান থেকে।

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য ১৯৯৮  ও ২০০৩ সালে তিনি মনোনীত পান। মূলত বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারণে মনোনীত হন।

২৫ জুন, ২০০৯ সালে হার্ট অ্যাটাকের মাইকেল জ্যাকসন মৃত্যুবরণ করেন।আর এই খবর শোনার পর মানুষ এতবার গুগলের সার্চ করেন যে ইন্টারনেট ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়া অবস্থা হয়। তার শেষকৃত্য টিভিতে প্রায় আড়াইশ কোটি মানুষ দেখে।

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?