তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল এই বিষয় নিয়ে আমরা অনেকে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছি। আজকের এই টপিকের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আপনাদের সকল দ্বিধা দ্বন্দ্ব দূর হয়ে যাবে।

ফজিলতের দিক থেকে রমজান মাস হচ্ছে শ্রেষ্ঠ মাস। এ মাস হচ্ছে পবিত্র মাস। রমজান মাসের ৩০ টি রোজা রাখা ফরজ। 

রমজান মাসে তারাবির নামাজ পড়তে হয়। তারাবি নামাজ রোজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) সালাম তারাবি নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবীদেরও পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল? তারাবির নামাজ নারী-পুরুষ সকলের জন্য সুন্নতে মুয়াক্কাদা। পুরুষেরা জামাতের সাথে নামায আদায় করবে এবং মহিলারা ঘরে নামাজ আদায় করবে। এশার নামাজের পর বিতর নামাজের আগে তারাবি নামাজ আদায় করতে হয়। তারাবির নামাজ ২০ রাকাত। দুই রাকাত করে আমরা এই নামায আদায় করি।

প্রিয় রাসুল (সঃ) যে ব্যক্তি রমজান মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখেন, তারাবির নামাজ পড়েন এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তির জীবনের সব গুনাহ মাফ করে দেন। 

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন যে, হে আমার উম্মতগণ তোমরা আমার সুন্নতকে আঁকড়ে ধরে এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতকে আঁকড়ে ধর। সুন্নতের উপর তোমরা অটুট থাক।

আর তাই ইমাম নববী বলেন, আলেমগণের ইজমা অনুসারে তারাবি নামাজ আদায় করা সুন্নত।

যে ব্যক্তি তারাবির নামাজ অস্বীকার করবে সে পথভ্রষ্ট। যে ব্যক্তি তারাবি নামাজ সুন্নত হওয়াকে অস্বীকার করলো সে বিদআত করলো। তারাবির নামাজ ছেড়ে দেওয়া বা বর্জন করা জায়েজ নেই। 

ওয়াজিব যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদা তেমন। তাই  ওয়াজিবের মতো সুন্নতে মুয়াক্কাদা ক্ষেত্রে জবাবদিহি করতে হবে। তবে যারা ওয়াজিব পালন করেন না তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, কিন্তু সুন্নতে মুয়াক্কাদা ছেড়ে দিলে শাস্তি পেতে পারেন আবার মাফও পেয়ে যেতে পারেন।

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?