গ্রীন হাউজ গ্যাস কি

বায়ুমণ্ডলের যে সকল গ্যাস ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলোক রশ্মি বিকিরনগুলো থেকে শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সেই সকাল গ্যাসকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

বিভিন্ন ধরনের গ্রিনহাউস গ্যাস রয়েছে যেমনঃ কার্বন ডাই অক্সাইড(CO2), মিথেন(CH4), জলীয়বাষ্প, নাইট্রাস অক্সাইড(N2O), ক্লোরোফ্লোরো কার্বন(CFC) এবং ওজোন গ্যাস। 

এই গ্যাসগুলো প্রতিনিয়ত ও পরিবেশ দূষণ করে যাচ্ছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবেশের ক্ষতি করে থাকে। 

গ্রীন হাউজ গ্যাস গুলির প্রভাবে প্রতিনিয়ত বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে মেরু অঞ্চলের পোলার ক্যাপ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাবে। 

এর ফলে সমুদ্রের তীরবর্তী দেশ যেমন বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার প্রভৃতি অঞ্চল পানিতে ডুবে যাবে। 

আর সমুদ্রের পানি বেড়ে গেলে তা ফসলি জমিতে প্রবেশ করবে ফলে মাটি লবণাক্ত হয়ে যাবে। লবণাক্ত মাটিতে ফসল উৎপাদন ব্যাপক পরিমাণে কমে যাবে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমনঃ খরা, ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, দাবানল ইত্যাদি।

গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর জন্য আমাদের অনবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। নির্বিচারে গাছ কাটা যাবে না। বনভূমিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। 

বেশি বেশি করে গাছ লাগাতে হয়। সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার ও উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তির যেমনঃ সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ার ভাটা শক্তি ইত্যাদির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?