মুখের ছোট ছোট ব্রণ দূর করার উপায়

ত্বকে অবস্থিত ফলিকলের একপ্রকার দীর্ঘমেয়াদী স্বাভাবিক রোগ হচ্ছে ব্রণ বা পিম্পল। সাধারণত বয়সের কারণে, ঘুম কম হলে, পানি কম খেলে এবং হরমোন জনিত কারণে ব্রণ হয়ে থাকে। 

এছাড়া বংশগতি ও জিনগত কারণে ব্রণ হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের তৈলাক্ত খাবার ও ভাজাপোড়া ব্রণের জন্য দায়ী। এটি পৃথিবীর অষ্টম স্বাভাবিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত। চলুন জেনে নেই

মুখের ছোট ছোট ব্রণ দূর করার উপায় গুলো

বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ (ওমেগা ফ্যাটি এসিড যুক্ত) খেতে পারেন। এই ফ্যাটি এসিড ব্রণের সমস্যার সমাধানে কার্যকর।

লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, বাদাম ইত্যাদি ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত খাবার খেতে পারেন।

পেঁপে, গাজর ইত্যাদি বিটা ক্যারোটিন যুক্ত খাবার খেতে পারেন। এই খাবার আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, মাল্টা ইত্যাদি এ জাতীয় ফল খেতে পারেন যেগুলো আপনার শরীরে পানি সরবরাহ করবে।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। কমলা, আঙ্গুর, আনারস, পেঁপে, টমেটো, লেবু, কাঁচামরিচ, পুদিনা পাতা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। 

এছাড়া ভিনেগার ও গ্রিন টি নিয়মিত পান করতে পারেন এগুলো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর। 

ব্রণ সমস্যার প্রতিকার

প্রতিদিন বেশি পরিমাণে মুখ ধোয়া যাবে না কারণ এতে ত্বক তৈলাক্ত এবং শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। মুখ ধোয়ার সময় নিয়মিত ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন।

এরকম ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন যেগুলো স্যাসিলিক ও গ্লাইকোলিক এসিড সমৃদ্ধ।

মিষ্টি জাতীয় আচার খাওয়া যাবে তবে টক জাতীয় আচার খাওয়া যাবে না। এছাড়া ঝাল ও মসলা যুক্ত কম করে খেতে হবে। 

বেশি পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং তেলযুক্ত ফাস্টফুড, জাংক ফুড খাবার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।

মানসিক অবসাদ, দুশ্চিন্তা করা যাবে না এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। 

ত্বকের মধ্যে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ব্যবহার করতে পারেন। খালি পেটে এক টানা তিন মাস আমলকি, হরতকি ও বিভিতকি খাওয়া যেতে পারে।

ব্রণের মধ্যে হাত দিয়ে স্পর্শ করা যাবে না এবং নখ দিয়ে খোঁটা যাবে না।

ত্বকের মধ্যে ক্ষতিকর কসমেটিকস এবং প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?