ডোপ টেস্ট কি

ডোপ টেস্ট কি

অনেক মানুষ আছে যারা ডোপ টেস্ট কি এবং ডোপ টেস্ট কেন করা হয় এ সম্পর্কে ভালোভাবে জানে না। আমাদের আর্টিকেলটি মন দিয়ে পুরো পড়লে আপনি ডোপ টেস্ট কি সম্পর্কে পুরোপুরি ভালোভাবে জানতে পারবেন।

মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পূর্বে ডোপ টেস্ট করানো হয়। 

  • ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসলে চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন না। 
  • আর চাকরিরত অবস্থায় যদি ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসে চাকরিচ্যুত করা হবে। 

ডোপ টেস্ট কি

ডোপ টেস্ট এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন একজন ব্যক্তির শরীরের ভিতরে মাদক দ্রব্যের উপস্থিতি আছে কিনা সে সম্পর্কে জানা যায়। 

চাকরির ক্ষেত্রে, বিদেশ ভ্রমণের সময়, স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তে ভর্তির সময়, অস্ত্রের লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তিকে ডোপ টেস্ট করানো হয় করানো হয়। 

কেন ডোপ টেস্ট করানো হয়

বর্তমান সমাজে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি পরিবার, সমাজ এবং দেশের বোঝা। মাদকাসক্ত ব্যক্তি প্রতিরক্ষা বাহিনী, শিক্ষা ক্ষেত্রে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে ইত্যাদি জায়গায় হুমকিস্বরূপ। যে সকল কারণে মূলত দু’টি টেস্ট করানো হয়।

  • ট্রাফিক আইন এর জন্য
  • মাদকসেবী শনাক্ত করার জন্য 
  • আইনি জটিলতার জন্য 
  • খেলোয়াড়দের জন্য 
  • ফরেনসিকের জন্য 
  • ডোপ টেস্ট কত প্রকার

বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করানো হয়ে থাকে। যেমনঃ ইউরিন টেস্ট, মুখের লালা টেস্ট, রক্ত টেস্ট, চুল টেস্ট, নিঃশ্বাস টেস্ট ইত্যাদি। এই টেস্ট গুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই একজন মাদক সেবনকারী কে শনাক্ত করা যাবে। 

নমুনা সংগ্রহের পর যদি আপনার ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসে তাহলে ৭ দিনে বা তার বেশি সময় লাগবে রিপোর্ট পেতে। আর যদি আপনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই রিপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন। 

সবগুলো টেস্ট করানোর পর যদি কারো রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে তার কোন সমস্যা হবে না। আর যদি রিপোর্ট পজেটিভ আসে তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদক আইন এর ধারা অনুযায়ী আপনাকে বিভিন্ন শাস্তি দেওয়া হবে। যেমনঃ জেল-জরিমানা।

ডোপ টেস্ট সব জায়গাতে করানো হয় না। যেসব স্থানে বিসিএস ক্যাডার ডক্টর থাকে ওই স্থানে ডোপ টেস্ট বা ড্রাগ টেস্ট করানো হয়। বিভিন্ন পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র অনেক সময় ডোপ টেস্ট করানো হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের যেসব জায়গায় ডোপ টেস্ট করানো হয়

ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, যশোর, বরিশাল, রংপুর, নোয়াখালী, নরসিংদী, কক্সবাজার, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, পটুয়াখালী, পাবনা, বগুড়া।

এইসব জেলাগুলোতে মিনি ল্যাব বসিয়ে ডোপ টেস্ট করানো হয়। ডোপ টেস্ট করতে বেশি টাকা লাগে না। ১০০০ টাকার মধ্যেই ডোপ টেস্ট করা যায়।

আপনি যদি মাদক সেবন করে থাকেন। তাহলে ভয় পাওয়ার কারণ নেই।

ডোপ টেস্ট থেকে বাঁচার উপায় 

প্রথমত আপনাকে মাদক সেবন বন্ধ করতে হবে। তিন মাস মাদক সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। 

তিন মাস পর অর্থাৎ ৯১ তম দিনের মাথায় বা এরপর যদি ডোপ টেস্ট করানো হয় তাহলে আপনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে।


সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

বিডিপপুলারে আপনাকে স্বাগতম!

আপনার লেখা বিডিপপুলারে পাবলিশ করবেন কিভাবে?